Academy

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

বয়ঃসন্ধিক্ষণ বয়সকে ঝড়ঝঞ্চার বয়স বলা হয় কেন? (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

Created: 4 months ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago
Ans :

বয়ঃসন্ধিকাল দ্রুত পরিবর্তনের সময়। এ সময় শরীরের অনেক পরিবর্তন ঘটে। ওজন, উচ্চতা, বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গের পরিবর্তনের ফলে একটি শিশু পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তিতে পরিণত হয়। এ পরিবর্তনের ধরন ও কারণ কারও জানা নেই। তবে এর সাথে অনেক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। কারণ এসময় মনটা সব সময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে। তাই বয়ঃসন্ধিক্ষণ বয়সটিকে ঝড়ঝঞ্চার বয়স বলে মনে হয়।

4 months ago

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

৪-৬ বছর বয়সের শিশুদের প্রাক-বিদ্যালয়গামী শিশু বলা হয়। এ বয়সে শিশুরা স্কুলে যাওয়া শুরু করে এবং খেলাধূলা করে। তাই এ সময় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটে বলে শক্তির খরচ বেশি হয়। এ সময় শিশুদের পেশির গঠন, দাঁত, হাড়, রক্ত গঠন ইত্যাদির জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা বড়দের তুলনায় বেশি হয়। এ বয়সে শিশুর স্বাভাবিক বর্ধন বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত ক্যালরি ও প্রোটিন জাতীয় খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ।

যেসব শিশুর বয়স ৪-৬ বছর সেসব বয়সের শিশুদের প্রাক-বিদ্যালয়গামী শিশু বলা হয়। প্রাক-বিদ্যালয়গামী শিশুদের পেশির গঠন, দাঁত, হাড়, রক্ত গঠন ইত্যাদির জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা বড়দের তুলনায় বেশি হয়।

পরিবারের সদস্যদের সুষম আহার পরিবেশনের জন্য মেনু পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। মেনু পরিকল্পনার মাধ্যমেই পুষ্টি সংবলিত আকর্ষণীয় খাবার পরিবেশন করা যায়। সুপরিকল্পিত মেনু পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে, তাছাড়া খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের কাজ সুষ্ঠু ও সহজ করে। এজন্যই মেনু পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা অত্যাধিক।

১০০০ দিনের পুষ্টি বলতে মায়ের গর্ভে অবস্থানকালে পুষ্টি ও জন্মের পরবর্তী ২ বছরের পুষ্টিকে বোঝায়। এ সময় শিশুর জীবনের সুস্থ ভবিষ্যতের ভিত রচনার অন্যতম সময়। এসব শিশুর যথাযথ শারীরিক বর্ধন, মেধা বিকাশ এবং ভবিষ্যতের জন্য মেধাবী ও দক্ষ জাতি গঠনের হাতিয়ার। শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুর বর্ধন ও বিকাশ ব্যাহত হয়। জন্মের পরও শিশু অপুষ্টিতে ভোগে

শরীরের ওজন বেড়ে গেলে বিভিন্ন ধরনের অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। যেমন-উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সার ইত্যাদি। তাছাড়া আয়ুও কমে আসে। তাই শরীরের ওজন কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া ঠিক নয়।

শরীরের ওজন কম হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যেমন-
ক. কর্মশক্তি কমে যাওয়া।
খ. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া।
গ. সহজেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া।
ঘ. রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং
৫. মেধাশক্তি কম হওয়া ইত্যাদি।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...